CISF Camp Firing: কাঠুয়ায় সহকর্মীর এলোপাথাড়ি গুলিতে নিহত ৪ সিআইএসএফ জওয়ান! গ্রেপ্তার অভিযুক্ত

Published:

CISF Camp Firing: কাঠুয়ায় সহকর্মীর এলোপাথাড়ি গুলিতে নিহত ৪ সিআইএসএফ জওয়ান! গ্রেপ্তার অভিযুক্ত

CISF Camp Firing: জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলায় এক ভয়াবহ এবং মর্মান্তিক ঘটনা সামনে এল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সহকর্মীর এলোপাথাড়ি গুলিতে প্রাণ হারালেন সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স বা সিআইএসএফ-এর (CISF) চারজন আধিকারিক। নিহতদের মধ্যে একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট কম্যান্ডান্ট পদমর্যাদার অফিসারও রয়েছেন। জানা গিয়েছে, কাঠুয়ার এসইডব্লিউএ-২ (SEWA-2) জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্যাম্পে এই চাঞ্চল্যকর গুলি চলার ঘটনাটি ঘটে। দেশের সুরক্ষার দায়িত্বে থাকা জওয়ানদের নিজেদের মধ্যে এমন প্রাণঘাতী সংঘর্ষের ঘটনায় জাতীয় স্তরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

Advertisement Andaman Vibes

এই ভয়ঙ্কর ঘটনার মূল অভিযুক্ত সিআইএসএফ হেড কনস্টেবল অবধেশ সিংকে ইতিমধ্যেই পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাও অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে একটানা জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। এই ঘটনায় যে চারজন আধিকারিক প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের নাম ও পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে। নিহতরা হলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট কম্যান্ডান্ট অঙ্কিত কুমার পাণ্ডে, সাব-ইন্সপেক্টর লক্ষণ সিং, কনস্টেবল সঞ্জীব কুমার এবং কনস্টেবল মহম্মদ রফিক। নিজেদের বাহিনীর অন্দরেই জওয়ানদের মধ্যে এহেন গুলি চালনার ঘটনাটিকে ‘ফ্র্যাট্রিসাইড’ বা ভ্রাতৃঘাতী সংঘর্ষ হিসেবেই দেখছে তদন্তকারী দল।

Rasik Dulari Sharan: বৃন্দাবনের আশ্রমে প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্য রসিক দুলারি শরণের রহস্যজনক মৃত্যু এবং পুলিশের তদন্ত
Rasik Dulari Sharan: বৃন্দাবনের আশ্রমে প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্য রসিক দুলারি শরণের রহস্যজনক মৃত্যু এবং পুলিশের তদন্ত

আরও পড়ুন: Premanand Maharaj: ‘দেখা পর্যন্ত করতে দেওয়া হয়নি…’, প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্যের মৃত্যুতে বিস্ফোরক পরিবার 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ক্যাম্পে ডিউটি বদল বা শিফট চেঞ্জ করার সময় এই মর্মান্তিক ঘটনার সূত্রপাত হয়। ডিউটি বদলানোকে কেন্দ্র করে উপস্থিত সিআইএসএফ জওয়ানদের মধ্যে আচমকাই কোনো একটি বিষয়ে তীব্র বচসা বেধে যায়। তর্কাতর্কি চরমে উঠলে অভিযুক্ত হেড কনস্টেবল অবধেশ সিং সম্পূর্ণ মেজাজ হারিয়ে ফেলেন। এরপর তিনি নিজের কাছে থাকা সার্ভিস রাইফেল তুলে নিয়ে সহকর্মীদের লক্ষ্য করে একেবারে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন। ঘটনাস্থলেই ওই চারজন আধিকারিক গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং পরে হাসপাতালেই তাঁদের মৃত্যু হয়।

Advertisement

যে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্যাম্পে এই রক্তক্ষয়ী ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি কাঠুয়া জেলার মাশকা অঞ্চলে অবস্থিত। এলাকাটি ভৌগলিকভাবে হিমাচল প্রদেশের চাম্বা জেলার একেবারে সীমান্তবর্তী একটি দুর্গম জায়গা। ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই কাঠুয়া জেলা পুলিশের একটি উচ্চপদস্থ দল বিশাল বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছয়। পুলিশ ইতিমধ্যেই পুরো এলাকাটি ঘিরে ফেলে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে এবং খুনের মামলা রুজু করে জোরদার তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করেছে। অভিযুক্ত অবধেশ ঠিক কী কারণে এমন চরম পদক্ষেপ নিল, তা জানতে তাঁকে লাগাতার জেরা করা হচ্ছে।

Milan Pradhan: নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে অন্তর্বর্তী জামিন দিল কলকাতা হাই কোর্ট
Milan Pradhan: নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে অন্তর্বর্তী জামিন দিল কলকাতা হাই কোর্ট

আরও পড়ুন: Milan Pradhan: নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীকে অন্তর্বর্তী জামিন হাই কোর্টের! ভোটের পরই আত্মসমর্পণের নির্দেশ 

বাহিনীর অন্দরে এমন শৃঙ্খলাভঙ্গ এবং প্রাণঘাতী ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছে সিআইএসএফ সদর দপ্তরও। এই ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং প্রেক্ষাপট বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখার জন্য সিআইএসএফ-এর উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের নির্দেশে একটি বিশেষ ‘কোর্ট অফ ইনকোয়ারি’ (Court of Inquiry) গঠন করা হয়েছে। ঠিক কী কারণে বচসা শুরু হয়েছিল এবং পরিস্থিতি কেন এতদূর গড়াল, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে দেখবে এই কমিটি। সিআইএসএফ-এর ডিরেক্টর জেনারেল বা ডিজি স্বয়ং গোটা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন এবং তদন্ত প্রক্রিয়ার তদারকি করছেন। শীর্ষ আধিকারিকরাও ইতিমধ্যে অকুস্থলের দিকে রওনা দিয়েছেন।

Ad

Kingshuk Singha Roy
Kingshuk Singha Roy
Founder & Editor-in-Chief বাংলার আওয়াজের প্রতিষ্ঠাতা। ২০১৭ সাল থেকে ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমের সাথে যুক্ত। সাংবাদিকতা ও ডিজিটাল মিডিয়া নিয়ে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

Related articles

spot_img

Recent articles

spot_img