বিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ও সাংগঠনিক কাঠামো চূড়ান্ত হওয়ার পর এবার মোদী ৩.০ সরকারের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় বড়সড় রদবদলের জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন এবং আসন্ন একাধিক রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের রাজনৈতিক সমীকরণ মাথায় রেখেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাকে এই নতুন রূপ দেওয়া হতে পারে। এই রদবদলে পুরনো মন্ত্রীদের বদলে নতুন জোটসঙ্গী, অপেক্ষাকৃত তরুণ নেতৃত্ব এবং মহিলাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা ভাবা হয়েছে।
সংবিধানের ৭৫(১এ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, লোকসভার মোট সদস্য সংখ্যার সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী-সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় মোট ৮১ জন মন্ত্রী থাকতে পারেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-সহ মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ৬৯। ফলে মন্ত্রিসভায় এখনও ১২টি শূন্য পদ রয়েছে। এই শূন্য পদগুলি পূরণ করার পাশাপাশি বেশ কিছু বর্তমান হেভিওয়েট মন্ত্রীর দায়িত্বের পুনর্বণ্টন করা হতে পারে বলে খবর।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, কারা সরতে চলেছেন? বিজেপির ঐতিহ্যগত ‘এক ব্যক্তি, এক পদ’ নীতির ভিত্তিতে যাঁদের দলীয় সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাঁরা মন্ত্রিসভা থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন। যেমন— বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলকে দলের নতুন সর্বভারতীয় কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হর্ষ মালহোত্রা (দিল্লি) এবং পঙ্কজ চৌধুরীকে (উত্তরপ্রদেশ) বিজেপির রাজ্য সভাপতি করা হয়েছে। এছাড়া পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী ও সামাজিক ন্যায় প্রতিমন্ত্রী বি. এল. বর্মার মতো কয়েকজন মন্ত্রীর রাজ্যসভার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পেপার ফাঁসের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই ইস্তফা দিয়েছেন এবং রাজ্যসভার মেয়াদ শেষে জর্জ কুরিয়ান ও রভনীত সিং বিট্টু মন্ত্রিসভা ছেড়েছেন। কিছু মন্ত্রীর কাজের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেও পরিবর্তন আনা হতে পারে।
কে হতে চলেছেন নতুন মুখ? বর্তমান মন্ত্রিসভায় ৭০ বছরের বেশি বয়সি অন্তত ১২ জন মন্ত্রী রয়েছেন। সরকার এবার গড় বয়স কমিয়ে তরুণ ও মহিলা প্রতিনিধিদের অনুপাত বাড়ানোর দিকে নজর দিচ্ছে। মহারাষ্ট্রে একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনার সাংসদ সংখ্যা বাড়ায় শ্রীকান্ত শিন্ডের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি নিয়ে জোরালো আলোচনা চলছে। পাঞ্জাবে জোট পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে শিরোমণি অকালি দল এবং আপ থেকে আসা প্রতিনিধিরাও স্থান পেতে পারেন। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট, কর্ণাটক, মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যগুলি থেকে নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত করার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। বাংলা থেকে এনডিএ-কে সমর্থন জানানো দলবদলু গোষ্ঠীগুলির প্রতিনিধিকেও মন্ত্রিসভায় জায়গা দেওয়া হতে পারে।
এছাড়াও মন্ত্রীদের কাজের চাপ কমানোর বিশেষ ভাবনা রয়েছে শীর্ষ নেতৃত্বের। বর্তমানে প্রায় ১৪ জন সিনিয়র মন্ত্রী একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্ব একাই সামলাচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, জে. পি. নাড্ডা, শিবরাজ সিং চৌহান, মনোহর লাল খট্টর, প্রহ্লাদ যোশী এবং অশ্বিনী বৈষ্ণবের মতো নেতারা। এই রদবদলের মাধ্যমে তাঁদের কাজের চাপ কমিয়ে মন্ত্রকগুলির কাজ আরও মসৃণ ও গতিশীল করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।বিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ও সাংগঠনিক কাঠামো চূড়ান্ত হওয়ার পর এবার মোদী ৩.০ সরকারের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় বড়সড় রদবদলের জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন এবং আসন্ন একাধিক রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের রাজনৈতিক সমীকরণ মাথায় রেখেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাকে এই নতুন রূপ দেওয়া হতে পারে। এই রদবদলে পুরনো মন্ত্রীদের বদলে নতুন জোটসঙ্গী, অপেক্ষাকৃত তরুণ নেতৃত্ব এবং মহিলাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা ভাবা হয়েছে।
সংবিধানের ৭৫(১এ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, লোকসভার মোট সদস্য সংখ্যার সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী-সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় মোট ৮১ জন মন্ত্রী থাকতে পারেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-সহ মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ৬৯। ফলে মন্ত্রিসভায় এখনও ১২টি শূন্য পদ রয়েছে। এই শূন্য পদগুলি পূরণ করার পাশাপাশি বেশ কিছু বর্তমান হেভিওয়েট মন্ত্রীর দায়িত্বের পুনর্বণ্টন করা হতে পারে বলে খবর।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, কারা সরতে চলেছেন? বিজেপির ঐতিহ্যগত ‘এক ব্যক্তি, এক পদ’ নীতির ভিত্তিতে যাঁদের দলীয় সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাঁরা মন্ত্রিসভা থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন। যেমন— বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলকে দলের নতুন সর্বভারতীয় কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হর্ষ মালহোত্রা (দিল্লি) এবং পঙ্কজ চৌধুরীকে (উত্তরপ্রদেশ) বিজেপির রাজ্য সভাপতি করা হয়েছে। এছাড়া পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী ও সামাজিক ন্যায় প্রতিমন্ত্রী বি. এল. বর্মার মতো কয়েকজন মন্ত্রীর রাজ্যসভার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পেপার ফাঁসের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই ইস্তফা দিয়েছেন এবং রাজ্যসভার মেয়াদ শেষে জর্জ কুরিয়ান ও রভনীত সিং বিট্টু মন্ত্রিসভা ছেড়েছেন। কিছু মন্ত্রীর কাজের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেও পরিবর্তন আনা হতে পারে।
কে হতে চলেছেন নতুন মুখ? বর্তমান মন্ত্রিসভায় ৭০ বছরের বেশি বয়সি অন্তত ১২ জন মন্ত্রী রয়েছেন। সরকার এবার গড় বয়স কমিয়ে তরুণ ও মহিলা প্রতিনিধিদের অনুপাত বাড়ানোর দিকে নজর দিচ্ছে। মহারাষ্ট্রে একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনার সাংসদ সংখ্যা বাড়ায় শ্রীকান্ত শিন্ডের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি নিয়ে জোরালো আলোচনা চলছে। পাঞ্জাবে জোট পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে শিরোমণি অকালি দল এবং আপ থেকে আসা প্রতিনিধিরাও স্থান পেতে পারেন। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট, কর্ণাটক, মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যগুলি থেকে নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত করার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। বাংলা থেকে এনডিএ-কে সমর্থন জানানো দলবদলু গোষ্ঠীগুলির প্রতিনিধিকেও মন্ত্রিসভায় জায়গা দেওয়া হতে পারে।
এছাড়াও মন্ত্রীদের কাজের চাপ কমানোর বিশেষ ভাবনা রয়েছে শীর্ষ নেতৃত্বের। বর্তমানে প্রায় ১৪ জন সিনিয়র মন্ত্রী একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্ব একাই সামলাচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, জে. পি. নাড্ডা, শিবরাজ সিং চৌহান, মনোহর লাল খট্টর, প্রহ্লাদ যোশী এবং অশ্বিনী বৈষ্ণবের মতো নেতারা। এই রদবদলের মাধ্যমে তাঁদের কাজের চাপ কমিয়ে মন্ত্রকগুলির কাজ আরও মসৃণ ও গতিশীল করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।



