TMC Symbol Row: জোড়াফুল প্রতীক কার? ঋতব্রত শিবিরে নেই সাংসদ, নির্ণায়ক ভূমিকা নিতে পারে বিদ্রোহী এনসিপিআই সাংসদরা
KOLKATA: তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে প্রতীক নিয়ে লড়াই যত এগোচ্ছে, রাজনৈতিক সমীকরণ ততটাই জটিল হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনে ‘জোড়াফুল’ প্রতীক দাবি করেছে কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল শিবির। কিন্তু এই আইনি লড়াইয়ে ঋতব্রত শিবিরের একটি বড় ফাঁক প্রকাশ্যে এসেছে— তাঁদের শিবিরে পর্যাপ্ত বিধায়ক থাকলেও, বর্তমানে তাঁদের সঙ্গে কোনও সাংসদ নেই। এই পরিস্থিতিতে প্রতীক কার দখলে যাবে, তা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে এনসিপিআই (NCPI) গোষ্ঠী।

এনসিপিআই মূলত তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের নিয়ে গঠিত একটি দল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন কমিশন যখন প্রতীক নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে, তখন দলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা একটি বড় মাপকাঠি হিসেবে কাজ করবে। কালীঘাট শিবিরের দাবি, দলের সিংহভাগ সাংসদ তাঁদের সঙ্গেই আছেন। কিন্তু ঋতব্রত শিবিরের কাছে যদি সাংসদদের সমর্থন না থাকে, তবে কমিশনে তাঁদের দাবি দুর্বল হতে পারে।
ঠিক এই জায়গাতেই প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে এনসিপিআই বা বিদ্রোহী সাংসদদের অবস্থান। যদি এই কুড়ি জন সাংসদ ঋতব্রত শিবিরকে সমর্থন করেন, তবে প্রতীক পাওয়ার দৌড়ে তাঁরা অনেকটাই এগিয়ে যাবেন। অন্যদিকে, তাঁরা যদি কালীঘাট শিবিরের প্রতিই আস্থা রাখেন, তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দলই জোড়াফুল প্রতীক নিজেদের কাছে ধরে রাখতে পারবে। তাই উপনির্বাচনের আগে এনসিপিআই কোন পথে হাঁটে, সেদিকেই নজর রাখছে গোটা বাংলার রাজনৈতিক মহল।




