Pakistani Spy: পিংলায় ধৃত ‘পাকিস্তানি চর’ মামলার তদন্তভার নিল NIA! এসটিএফ-এর জালে তৃণমূল নেতার ভাইও
KOLKATA: রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একের পর এক ‘পাকিস্তানি চর’ গ্রেফতারির ঘটনায় এবার তদন্তভার গ্রহণ করল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ (NIA)। পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলায় চরবৃত্তির অভিযোগে ধৃত শেখ মুসালিমের মামলার তদন্ত এবার বেঙ্গল এসটিএফ-এর (STF) হাত থেকে এনআইএ-র হাতে গেল। গত ২৭ মে চরবৃত্তির অভিযোগে শেখ মুসালিমকে গ্রেফতার করেছিল রাজ্য পুলিশের এসটিএফ।
আরও পড়ুন: Shaheen Khan: দিল্লিতে মহিলা সাংবাদিককে থানায় নিয়ে গিয়ে নিগ্রহের অভিযোগ! সাকেতের ঘটনায় তুঙ্গে বিতর্ক
সম্প্রতি রাজ্যের একাধিক জায়গা থেকে চরবৃত্তির অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দিনকয়েক আগেই উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর থেকে প্রাক্তন তৃণমূল ব্লক সভাপতির ভাই ফজলে রব্বিকে গ্রেফতার করে এসটিএফ। অভিযোগ, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই (ISI)-এর হয়ে কাজ করত সে। যদিও ধৃতের স্ত্রী নুরনেহার বেগমের দাবি, তাঁর স্বামী নির্দোষ এবং তৃণমূলের বড় নেতার ভাই হওয়ায় বিরোধীরা চক্রান্ত করে তাঁকে ফাঁসিয়েছে।
এর আগে স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে আইএসআই-এর হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। ধৃতরা হলো গোয়ালপোখরের পাঞ্জিপাড়ার মহম্মদ শফিকুল ইসলাম, কোচবিহারেরa তুফানগঞ্জের নুর নাসিরুদ্দিন আলি এবং সাহেবগঞ্জের রশিদুল হক। এসটিএফ সূত্রে খবর, এই তিনজনকে জেরা করেই তৃণমূল নেতার ভাই ফজলে রব্বির খোঁজ মেলে। জানা যায়, ভারতীয় সেনার একটি প্রতিষ্ঠান ‘আর্মি ওয়েলফেয়ার এডুকেশন সোসাইটি’-র নাম এবং লোগো ব্যবহার করে ভুয়ো হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইল তৈরি করেছিল তারা। সেই পরিচয় কাজে লাগিয়েই বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে অত্যন্ত গোপনীয় তথ্য আদানপ্রদান করা হত।
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, বর্তমানে সন্ত্রাসবাদীরা এদেশে সরাসরি অনুপ্রবেশ করানোর বদলে পাকিস্তানে বসেই এদেশের তরুণ-তরুণীদের মগজধোলাই করছে এবং তাদের নাশকতার কাজে ব্যবহার করছে। গত কয়েক মাসে এই ছকেই রাজ্যে কাজ চালিয়েছে আইএসআই। গত ৩১ জুলাই বর্ধমান থেকে জঙ্গি হামিম মণ্ডল এবং ১২ অগাস্ট উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া থেকে পাকিস্তানি নাগরিক রানা রউফ ওরফে ওয়াহাব আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে রাজ্যে চরবৃত্তির এই বিরাট নেটওয়ার্কের শিকড় খুঁজতেই এবার তদন্তে নামল এনআইএ।



