Shaheen Khan: দিল্লিতে মহিলা সাংবাদিককে থানায় নিয়ে গিয়ে নিগ্রহের অভিযোগ! সাকেতের ঘটনায় তুঙ্গে বিতর্ক

Published:

Shaheen Khan: দিল্লিতে মহিলা সাংবাদিককে থানায় নিয়ে গিয়ে নিগ্রহের অভিযোগ! সাকেতের ঘটনায় তুঙ্গে বিতর্ক

NEW DELHI: দেশের রাজধানীতে কর্তব্যরত এক মহিলা সাংবাদিককে থানায় নিয়ে গিয়ে চরম হেনস্থা ও নিগ্রহের মারাত্মক অভিযোগ উঠল দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে। ‘৪পিএম’ (4PM) সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিক শাহীন খানের দাবি, একটি সরকারি অনুষ্ঠানের বাইরে ভিডিও রেকর্ড করার সময় পুলিশ তাঁকে আটক করে সাকেত থানায় নিয়ে যায়। সেখানে তাঁর এবং তাঁর বোনের ওপর শারীরিক নিগ্রহ চালানোর পাশাপাশি তাঁদের পারিবারিক পদবি ও ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে আপত্তিকর প্রশ্ন তোলা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার ভোররাত সাড়ে তিনটে পর্যন্ত সাকেত থানার সামনে অবস্থানে বসেন ওই সাংবাদিক।

আরও পড়ুন: Farakka Landslide: ফরাক্কায় ধসে চরম দুর্ভোগ! আটকে পড়া রেলযাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছতে বিনামূল্যে ২০টি বাস পাঠাল রাজ্য সরকার

জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত ৩ সেপ্টেম্বর সাকেতের ম্যাক্স সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। সেখানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তর উপস্থিত থাকার কথা ছিল। শাহীন খানের বক্তব্য অনুযায়ী, মূল অনুষ্ঠানস্থল থেকে বেশ কিছুটা দূরে একটি সাইনবোর্ডের কাছে দাঁড়িয়ে তিনি ভিডিও রেকর্ড করছিলেন। সেই সময় পুলিশ তাঁকে এবং তাঁর বোন নাফিসাকে আটক করে সাকেত থানায় নিয়ে যায়। অভিযোগ, থানার ভেতরে তাঁদের ওপর শারীরিক বলপ্রয়োগ করা হয় এবং দুর্ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন: Zomato Order: জোম্যাটো থেকে পাওভাজি অর্ডার করে চক্ষু চড়কগাছ! খাবারের প্লেটে বেরোল পোড়া বিড়ি, নেটপাড়ায় তোলপাড় 

ঘটনায় জড়িত পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করার দাবিতে থানার সামনে দীর্ঘক্ষণ ধর্নায় বসেন শাহীন। তিনি জানান, পুলিশ তাঁর লিখিত অভিযোগ জমা নিলেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর দায়ের করতে অস্বীকার করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানী জুড়ে সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। গণতান্ত্রিক দেশে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধির ওপর এমন আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।

যদিও দিল্লি পুলিশের তরফে মারধরের সমস্ত অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করা হয়েছে। পুলিশের বক্তব্য, ভিআইপি চলাচলের রাস্তার ওপর ওই সাংবাদিক ও তাঁর বোন স্কুটার পার্ক করে রেখেছিলেন। কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা তাঁদের গাড়িটি সরাতে বললে তাঁরা তা অস্বীকার করেন এবং ঘটনাস্থলে অশান্তির সৃষ্টি করেন। সেই কারণেই তাঁদের আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছিল। তাঁদের ওপর কোনওরকম শারীরিক নিগ্রহের ঘটনা ঘটেনি বলেই পুলিশের দাবি। তবে দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী বয়ান সামনে আসায় সাকেত থানার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক ক্রমেই বাড়ছে।

Kingshuk Singha Roy
Kingshuk Singha Roy
Founder & Editor-in-Chief বাংলার আওয়াজের প্রতিষ্ঠাতা। ২০১৭ সাল থেকে ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমের সাথে যুক্ত। সাংবাদিকতা ও ডিজিটাল মিডিয়া নিয়ে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

Related articles

spot_img

Recent articles

spot_img