Amit Shah: মাওবাদের মতোই দেশ থেকে নির্মূল হবে মাদক! ২০২৯ সালের মধ্যে ‘মাদকমুক্ত ভারত’ গড়ার ডাক অমিত শাহের
NEW DELHI: দেশ থেকে মাওবাদ (Naxalism) প্রায় নির্মূল হয়ে গিয়েছে, এবার ঠিক সেই একই কড়া ধাঁচে দেশের মাদক সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই চালাবে সরকার। রবিবার এমনই কড়া বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, নরেন্দ্র মোদি সরকারের লক্ষ্য আগামী ২০২৯ সালের মধ্যে ভারতকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত করে তোলা। এই লড়াইকে এখন জাতীয় নিরাপত্তার অগ্রাধিকার হিসেবে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

রবিবার একটি সাংবাদিক সম্মেলনে অমিত শাহ বলেন, “মাওবাদ মুক্ত ভারত গঠনের পর এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য মাদক। ঠিক একইভাবে মাদক সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই চালানো হবে। দেশকে মাদক পদার্থ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করা হবে।” তিনি আরও জানান যে, ২০১৪ সালের আগে মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই ছোট ছোট ইউনিটে বিচ্ছিন্নভাবে চলত। কিন্তু এখন এই লড়াই জাতীয় স্তরের একটি সমন্বিত প্রচারের রূপ নিয়েছে। আগামী ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে ‘মাদকমুক্ত যুবশক্তি’-ই মূল চালিকাশক্তি হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের পদক্ষেপের কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এনসিওআরডি (NCORD), রাজ্য অ্যান্টি-নারকোটিক টাস্ক ফোর্স এবং বিভিন্ন এজেন্সির মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে মাদক বিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে। এছাড়াও মাদক অপরাধীদের জন্য ‘নিদান’ (NIDAN) ডেটাবেস এবং একটি দেশব্যাপী হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে। বর্তমানে ছোটখাটো বাজেয়াপ্ত হওয়া মাদক থেকে শুরু করে তার উৎস এবং বড় চালানের রুট খোঁজার জন্য ‘রিভার্স ইনভেস্টিগেশন’ মডেল ব্যবহার করা হচ্ছে।

এদিন দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা প্রসঙ্গেও আত্মবিশ্বাসী শোনান শাহ। তিনি দাবি করেন, জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ কমছে এবং ৩৭০ ধারা বাতিলের পর বিচ্ছিন্নতাবাদের মানসিকতাও দুর্বল হয়েছে। মাওবাদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যাঁরা তিরুপতি থেকে পশুপতিনাথ পর্যন্ত মাদকের রেড করিডোর গঠনের পরিকল্পনা করেছিল, তাঁরা এখন অস্ত্র সমর্পণ করে সমাজের মূল ধারায় ফিরে এসেছেন। মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত উত্তর-পূর্বের ১০ হাজার যুবকও অস্ত্র ছেড়ে আত্মসমর্পণ করেছে।” দীর্ঘ পাঁচ দশকের মাওবাদ এখন অতীতের বিষয় বলেও মন্তব্য করেন শাহ।



