Delhi Building Collapse: দিল্লিতে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল ২০ বছরের পুরোনো পড়ুয়াদের পিজি বহুতল! ধ্বংসস্তূপে আটকে বহু ছাত্রছাত্রী
NEW DELHI: রবিবার দুপুরে দিল্লিতে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি বহুতল (Delhi Building Collapse)। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন সত্য নিকেতন (Satya Niketan) এলাকায়। জানা গিয়েছে, ভেঙে পড়া ওই বহুতলটিতে বহু পড়ুয়া পেয়িং গেস্ট বা পিজি (PG) হিসেবে থাকতেন। ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে বেশ কয়েকজন পড়ুয়ার আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। আটকে পড়াদের বের করে আনতে ইতিমধ্যেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ।
পুলিশ ও দমকল সূত্রে খবর, রবিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ প্রথম দুর্ঘটনার খবর আসে। খবর পাওয়া মাত্রই দমকলের ১২টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (NDRF), দিল্লি বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (DDMA), দিল্লি পুলিশ, পুরনিগম এবং সিভিল ডিফেন্সের যৌথ দল। প্রশাসন জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই ধ্বংসস্তূপ থেকে দু’জন ছাত্রকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো সম্ভব হয়েছে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এক্স (X) হ্যান্ডেলে এই ঘটনার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সবরকম সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে পার্শ্ববর্তী একটি ভবনকেও দ্রুত খালি করানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: Shaheen Khan: দিল্লিতে মহিলা সাংবাদিককে থানায় নিয়ে গিয়ে নিগ্রহের অভিযোগ! সাকেতের ঘটনায় তুঙ্গে বিতর্ক
অন্যদিকে, এই ভয়াবহ বিপর্যয়ের পেছনে চরম গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, ভেঙে পড়া ওই বহুতলটি অন্তত ২০ বছরের পুরোনো এবং দীর্ঘ সময় ধরে বাড়িটির কোনওরকম রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়নি। এক স্থানীয় বাসিন্দার কথায়, “এঁরা বাড়িগুলোকে পিজি হিসেবে ভাড়া দিয়ে অনলাইনে শুধু টাকা নেন, কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের কোনও দায় নেন না। সত্য নিকেতনের গোটা এলাকা জুড়েই পিজি, আর এখানকার মাত্র ৩০ শতাংশ বাড়ির মালিক আসলে এখানে থাকেন।”
সত্য নিকেতন এলাকায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পড়াশোনা করতে আসা বহু পড়ুয়া ভাড়াবাড়িতে বসবাস করেন। বাসিন্দারা এলাকার খোলা নর্দমা ও নিকাশি ব্যবস্থার বেহাল দশা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি, পড়ুয়াদের থাকার জন্য ব্যবহৃত পুরোনো ভবনগুলির কাঠামোগত পরিদর্শনেরও দাবি তুলেছেন তাঁরা। ঠিক কী কারণে এই ভয়াবহ ধস, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট না হলেও ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ জোরকদমে চলছে।



