KMC Food Safety Raid: মাংসে ছত্রাক, বিরিয়ানিতে দেওয়ালের রং! নিজামস-সহ কলকাতার ৪০টি রেস্তরাঁর লাইসেন্স সাসপেন্ড পুরসভার

Published:

KMC Food Safety Raid: মাংসে ছত্রাক, বিরিয়ানিতে দেওয়ালের রং! নিজামস-সহ কলকাতার ৪০টি রেস্তরাঁর লাইসেন্স সাসপেন্ড পুরসভার

KOLKATA: দুর্গাপুজোর আগে শহরের খাদ্যরসিকদের জন্য চরম উদ্বেগজনক খবর! কলকাতা পুরসভার (KMC) খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের অভিযানে শহরের নামীদামি রেস্তরাঁগুলির চাঞ্চল্যকর ছবি সামনে এল। কোথাও মাংসে বাসা বেঁধেছে ছত্রাক, তো কোথাও আবার বিরিয়ানিতে মেশানো হচ্ছে ক্ষতিকারক রাসায়নিক বা দেওয়ালের রং! এই ধরনের গুরুতর বেনিয়ম ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে কলকাতার প্রায় ৪০টি রেস্তরাঁ ও খাবারের দোকানের লাইসেন্স সাসপেন্ড (KMC Suspends Licenses) করল পুরসভা। আর এই তালিকায় নাম রয়েছে নিজামস, করিমস, বলরাম মল্লিকের মতো নামজাদা সব প্রতিষ্ঠানের।

আরও পড়ুন: Krishnendu Narayan Choudhury: ‘যেমন বৃষ্টি হবে তেমন ছাতা ধরব!’, পুরভোটের মুখে তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত ইংরেজবাজারের পুরপ্রধানের 

রাজ্যজুড়ে চলা ‘খাদ্য সুরক্ষা সপ্তাহ’-এর অঙ্গ হিসেবে সম্প্রতি কলকাতার একাধিক রেস্তরাঁ, মল ও খাবারের দোকানে আচমকা হানা দেয় পুরসভার বিশেষ দল। সেখানেই চক্ষু চড়কগাছ হয় আধিকারিকদের। দেখা যায়, অনেক জায়গাতেই রান্না করা এবং কাঁচা খাবার অবৈজ্ঞানিক উপায়ে একসঙ্গে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফ্রিজে রাখা দিনের পর দিন পুরনো মাংসে ছত্রাক পড়ে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, খাবারে আকর্ষণীয় রং আনতে মেটানিল ইয়েলোর মতো নিষিদ্ধ কেমিক্যাল বা রং পর্যন্ত ব্যবহার করার প্রমাণ মিলেছে। চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের খাবার মানুষের শরীরে বিষের মতো কাজ করে এবং ক্যানসারের মতো মারণ রোগ ডেকে আনতে পারে।

Advertisement Andaman Vibes

খাদ্য সুরক্ষায় কোনওরকম আপস করা হবে না বলে আগেই কড়া বার্তা দিয়েছিল প্রশাসন। সেই অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে ৪০টি রেস্তরাঁ ও মিষ্টির দোকানের ফুড লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে। তবে পুরসভা সূত্রে খবর, যাদের লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাদের অবিলম্বে খাদ্য সুরক্ষার নিয়মবিধি নিয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এরপর সমস্ত নিয়ম মেনে পরিকাঠামোর উন্নতি হলে তবেই ফের তাদের খাবার বিক্রির অনুমতি দেওয়া হতে পারে। পুজোর মুখে পুরসভার এই কড়া পদক্ষেপে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে শহরের রেস্তরাঁ মহলে।

Advertisement

Kingshuk Singha Roy
Kingshuk Singha Roy
Founder & Editor-in-Chief বাংলার আওয়াজের প্রতিষ্ঠাতা। ২০১৭ সাল থেকে ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমের সাথে যুক্ত। সাংবাদিকতা ও ডিজিটাল মিডিয়া নিয়ে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

Related articles

spot_img

Recent articles

spot_img