Lockup Death in Bengal: ফের পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু! বাখরাহাটে তৃণমূল কর্মীর রহস্যমৃত্যুতে ধিক্কার জানিয়ে পরিবারের পাশে দোলা সেন
SOUTH 24 PARGANAS: রাজ্যে ফের পুলিশ হেফাজতে থাকা এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাখরাহাটে পালান রায় নামে এক তৃণমূল কর্মীর পুলিশ হেফাজতে অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে ফুঁসছে ঘাসফুল শিবির। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানিয়ে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে বুধবার নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সোমবার স্থানীয় বিজেপি কর্মী বিজয় সিং ওরফে বুচাইয়ের সঙ্গে তৃণমূলের বুথ কর্মী পালান রায়ের বচসা হয়। এরপরই পুলিশ পালানবাবুকে থানায় তুলে নিয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা সঙ্গে যেতে চাইলে পুলিশ তাঁদের আশ্বাস দেয় যে, আধঘণ্টার মধ্যেই কথা বলে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হবে। কিন্তু অভিযোগ, এর কিছু সময় পরই পরিবারের কাছে ফোন করে পালানের অসুস্থতার কথা জানানো হয়। পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে পৌঁছে দেখেন পালানবাবুর নিথর দেহ পড়ে রয়েছে।

এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের বিরুদ্ধে মারধর করে মেরে ফেলার অভিযোগ তুলে বাখরাহাট মোড়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। বুধবার সকালে দলনেত্রীর নির্দেশে তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন, অঞ্জন দাস ও অন্যান্য দলীয় নেতৃত্ব মৃত কর্মীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের পাশে থাকার পূর্ণ আশ্বাস দেন।
সেখানে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে দোলা সেন বলেন, “১৯৯৫ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লকআপ ডেথের বিরুদ্ধে ধর্মতলায় একটানা ২৫ দিন অনশন করেছিলেন, যার জেরে কেন্দ্র আইন বদল করতে বাধ্য হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি একের পর এক এমন ঘটনা ঘটছে। বারুইপুর ও হালিশহরের পর এবার বাখরাহাটে মৃত্যু হলো। এই ধরনের পুলিশি হেফাজতের মৃত্যু অবিলম্বে বন্ধ হওয়া দরকার।” এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব।



