Rejinagar Bye Election: পুলিশ ‘দলদাস’ হলে রাস্তায় নামব, চুড়ি পরে বসে থাকব না! হুংকার হুমায়ুন কবীরের
KOLKATA: দুর্গাপুজোর আগে রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনকে (Rejinagar Bye Election) কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ এখন তুঙ্গে। একদিকে মমতাপন্থী শিবিরের প্রার্থী দেওয়া নিয়ে জল্পনা, অন্যদিকে পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ে সরাসরি কড়া হুংকার ছাড়লেন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। শক্তিপুর, রেজিনগর ও বেলডাঙ্গা এলাকায় তাঁর দলের একের পর এক কর্মী গ্রেপ্তারের ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি।

এদিন হুমায়ুন কবীর দাবি করেন, রেজিনগরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রবিউল ইসলাম এবং মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি আতিবুর রহমান মমতাপন্থী তৃণমূলের প্রতীকে প্রার্থী হওয়ার জন্য জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। অন্যদিকে, বিজেপি প্রার্থীরা জয়ী হলেই এলাকার উন্নয়ন সম্ভব— গেরুয়া শিবিরের এমন দাবিকে সম্পূর্ণ ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। হুমায়ুনের কটাক্ষ, “উপনির্বাচনের আগে সাধারণ মানুষকে এসব কথা বলতেই হবে। কিন্তু বাস্তব কথা হলো, সমস্ত বিধায়কের এলাকা উন্নয়নের জন্য বছরে এক কোটি টাকা বরাদ্দ। একুশের নির্বাচনে মুর্শিদাবাদ জেলায় বিজেপির আসন ছিল দুটি, ছাব্বিশে তা বেড়ে আটটি হয়েছে। আমরাও প্রশ্ন তুলব, বিধায়ক সংখ্যা বাড়라도 বিজেপি গত তিন মাসে এই জেলার জন্য কী করেছে!”
পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে হুমায়ুন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আজকের পর শক্তিপুর, রেজিনগর ও বেলডাঙ্গা থানা এলাকায় পুলিশ যদি ‘দলদাস’-এর ভূমিকা পালন করে, তবে আমি জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে একটার পর একটা চিঠি লিখব। তাতেও প্রতিকার না পেলে সরাসরি রাস্তায় নেমে আন্দোলন করব। নির্বাচনী বিধি সকলকে মানতে হবে। পুলিশ প্রশাসন যদি আমাদের অন্যায়ভাবে হয়রানি করে, তবে আমিও চুড়ি পরে বসে থাকব না।”

নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে আগাম আত্মবিশ্বাসের সুর শোনা গেছে তাঁর গলায়। অতীতে অধীর চৌধুরীর হার নিয়ে সঠিক ভবিষ্যদ্বাণী করার প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, আগামী ৬ অক্টোবর ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর কোন কেন্দ্রে কত শতাংশ ভোট পড়ল, তা পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করে তিনি নিজেই জানিয়ে দেবেন যে তাঁর দল কত ভোটে জয়ী হতে চলেছে।




