Tuesday Astrology Remedies: কুণ্ডলীতে মঙ্গল দোষ বা চরম আর্থিক সংকট? মঙ্গলবার বজরংবলীর এই অব্যর্থ জ্যোতিষ টোটকায় মিলবে হাতেনাতে ফল!
KOLKATA: সনাতন হিন্দু ধর্ম এবং জ্যোতিষশাস্ত্রে (Astrology) মঙ্গলবার দিনটির এক বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। সপ্তাহের এই দিনটির অধিপতি গ্রহ হলেন নবগ্রহের সেনাপতি ‘মঙ্গল’ এবং আরাধ্য দেবতা হলেন সংকটমোচন হনুমানজি। জ্যোতিষীদের মতে, কারও জন্মছক বা কুণ্ডলীতে মঙ্গলের অবস্থান দুর্বল হলে বা ‘মঙ্গল দোষ’ (Mangal Dosh) থাকলে জীবনে পদে পদে বাধা আসে। আর্থিক ক্ষতি, ঋণের বোঝা, দাম্পত্য কলহ, কিংবা অকারণে দুর্ঘটনা— এ সবই মঙ্গলের অশুভ প্রভাবের লক্ষণ। কিন্তু শাস্ত্র বলছে, মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি সহজ ও অব্যর্থ টোটকা পালন করলে এই সমস্ত সংকট থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

জ্যোতিষশাস্ত্র ও পুরাণের মেলবন্ধন অনুযায়ী, মঙ্গল গ্রহের রং লাল এবং বজরংবলীর গায়ের রংও লাল (সিঁদুর বর্ণ)। তাই মঙ্গলের অশুভ প্রভাব কাটাতে বজরংবলীর আরাধনাই হলো শ্রেষ্ঠ উপায়। মঙ্গলবার কী কী নিয়ম মেনে চলবেন?
১. জুঁই তেলের প্রদীপ ও সিঁদুর:
মঙ্গলবার সকালে বা সন্ধ্যায় স্নান সেরে নিকটবর্তী হনুমান মন্দিরে যান। বজরংবলীকে জুঁই তেল (চামেলি তেল) এবং মেটে সিঁদুর অর্পণ করুন। বিশ্বাস করা হয়, এতে হনুমানজি অত্যন্ত প্রসন্ন হন এবং ভক্তের জীবনের সমস্ত ‘মঙ্গল দোষ’ নিমেষে খণ্ডন করেন।
২. লাল ফুল ও মিষ্টি নিবেদন:
মঙ্গল গ্রহকে শান্ত করতে মঙ্গলবার হনুমানজিকে লাল জবা বা গাঁদা ফুলের মালা পরান। এর পাশাপাশি ভোগ হিসেবে বোঁদের লাড্ডু বা বেসনের লাড্ডু নিবেদন করলে ব্যবসায়িক বাধা ও আর্থিক সংকট দূর হয়।
৩. হনুমান চালিসা ও বজরং বাণ পাঠ:
যাঁরা মানসিক অবসাদ, অজানা ভয় বা ঋণের দায়ে জর্জরিত, তাঁদের প্রতি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শুদ্ধ বস্ত্রে বসে ‘হনুমান চালিসা’ বা ‘বজরং বাণ’ পাঠ করা উচিত। জ্যোতিষীদের মতে, এই পাঠে আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বৃদ্ধি পায় এবং নেতিবাচক শক্তি বাড়ি থেকে দূরে সরে যায়।
৪. মুসুর ডাল ও লাল বস্ত্র দান:
মঙ্গল গ্রহের সঙ্গে লাল রং ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই মঙ্গলবার কোনও দরিদ্র মানুষকে লাল বস্ত্র, মুসুর ডাল বা তামার পাত্র দান করলে কোষ্ঠীতে থাকা দুর্বল মঙ্গল শক্তিশালী হয় এবং আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হয়।
বিশ্বাস ও ভক্তি ভরে এই নিয়মগুলো পালন করলে জীবনের যে কোনও কঠিন পরিস্থিতি থেকেই উত্তরণ সম্ভব বলে দাবি জ্যোতিষশাস্ত্রের।




