২০২৬ সালের অন্যতম বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা যশের ‘টক্সিক’: আ ফেয়ারি টেল ফর গ্রাউন-আপস’ মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হচ্ছে। একদিকে দক্ষিণী সুপারস্টার যশ এবং অন্যদিকে কিয়ারা আডবাণীর মতো তারকাদের উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও, ছবিটি দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণে অনেকাংশেই ব্যর্থ হয়েছে। মুক্তির প্রথম দিনেই বহু দর্শক সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের ক্ষোভ ও হতাশা উগরে দিয়েছেন।
নেটিজেনদের রিভিউ বা প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী, ছবিতে যশের ‘টক্সিক এ ‘এন্ট্রি’ এবং তাঁর নিজস্ব ‘সোয়্যাগ’ অনবদ্য। কিন্তু সিনেমার মূল ভিত্তি, অর্থাৎ চিত্রনাট্য এবং গল্প বলার ধরণ অত্যন্ত দুর্বল। এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে একজন দর্শক ছবিটিকে ‘সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন’ এবং ‘তিন ঘণ্টার এক যন্ত্রণা’ বলে কটাক্ষ করেছেন। অন্য একজন দর্শক যশের অভিনয়ের প্রশংসা করলেও জানিয়েছেন যে, দুর্বল চিত্রনাট্য, ধীরগতির কাহিনি এবং আবেগের চরম অভাব ছবিটিকে চূড়ান্ত বিরক্তিকর করে তুলেছে। পাশাপাশি, ছবির সম্পাদনা বা এডিটিং নিয়েও ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। দৃশ্যপটের ঘন ঘন এবং এলোমেলো পরিবর্তন দর্শকদের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক মাঝে মাঝে এতই জোরালো যে সংলাপও ঠিকমতো শোনা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে।
ছবিটির ট্রেলার থেকে জানা গিয়েছিল, এর প্রেক্ষাপট নব্বইয়ের দশকের গোয়া। যেখানে মাদকচক্র, অপরাধ জগত এবং ক্ষমতার নিষ্ঠুর আধিপত্যের অন্ধকার দিক তুলে ধরা হয়েছে। যশ এবং কিয়ারা ছাড়াও নয়নতারা, হুমা কুরেশি, তারা সুতারিয়া এবং রুক্মিণী বসন্তের মতো একাধিক নামজাদা তারকা এই ছবিতে অভিনয় করেছেন। কিন্তু এত বড় মাপের তারকাদের সমাবেশও ছবির দুর্বল গল্পকে ঢাকতে পারেনি। প্রথম শো শেষ হওয়ার পর থেকেই যেভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘নেগেটিভ রিভিউ’-এর বন্যা বয়ে যাচ্ছে, তাতে ‘টক্সিক’-এর ভবিষ্যৎ বক্স অফিস কালেকশন নিয়ে এখন বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিয়েছে। যশের অন্ধ ভক্তরা ছাড়া সাধারণ দর্শকরা এই ছবিটিকে কতটা গ্রহণ করবেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়।



