Dipak Barman: জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলে প্রধান শিক্ষককে মারধর, অভিযুক্ত ছাত্রদের টিসি দেওয়ার কড়া নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

Published:

Dipak Barman: জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলে প্রধান শিক্ষককে মারধর, অভিযুক্ত ছাত্রদের টিসি দেওয়ার কড়া নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

JALPAIGURI: শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলে প্রধান শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় এবার দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ নিল রাজ্য প্রশাসন। ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভিযুক্ত ছাত্রদের স্কুল থেকে টিসি (ট্রান্সফার সার্টিফিকেট) দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ (Dipak Barman)। তবে তাদের শিক্ষাজীবন ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে অন্য যে কোনও বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা ও পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ রাখা হচ্ছে।

Advertisement Andaman Vibes

শুক্রবার জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলে পরিস্থিতি পর্যালোচনায় এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন শিক্ষামন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক অদিতি চৌধুরী, জলপাইগুড়ি সদরের বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারী, জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক ও প্রাথমিক), স্কুলের ভারপ্রাপ্ত ও প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক, প্রাক্তনী সংসদের প্রতিনিধিরা এবং শহরের আরও ২২টি স্কুলের প্রধান শিক্ষক।

আরও পড়ুন: BRICS Summit: পুতিন-জিনপিংদের পাতে বাংলার কুচো নিমকি ও গলৌটি কাবাব, ব্রিকস সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের জন্য রাজকীয় মেনু 

বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী জানান, ছাত্ররা যে ঘটনা ঘটিয়েছে তার ব্যাপ্তি অত্যন্ত গভীর ও উদ্বেগজনক। ছাত্রসমাজ ও শিক্ষাঙ্গনে অনুশাসন বজায় রাখতে একটি কড়া বার্তা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছিল। দীর্ঘ আলোচনার পর সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, অভিযুক্তরা আর এই স্কুলে পড়তে পারবে না। আগামী দু-দিনের মধ্যে অভিযুক্ত ছাত্রদের চিহ্নিত করতে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Bageshwar Baba: ‘আমিও বাঙালি’, ‘পাখণ্ডী’ বিতর্কের মাঝেই স্কটল্যান্ড থেকে নিজের মন্তব্যের সাফাই বাগেশ্বর বাবার 

উল্লেখ্য, শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠান চলাকালীন একদল ছাত্রের হাতে রক্তাক্ত হন স্কুলের প্রধান শিক্ষক ধর্মচাঁদ বারুই। শতবর্ষ প্রাচীন এই বিদ্যাপীঠে শিক্ষক নিগ্রহের ঘটনায় রাজ্য জুড়ে নিন্দার ঝড় বয়ে যায়। অবশেষে প্রশাসনের এই কড়া পদক্ষেপে ঘটনার জট কিছুটা কাটল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Ad

Kingshuk Singha Roy
Kingshuk Singha Roy
Founder & Editor-in-Chief বাংলার আওয়াজের প্রতিষ্ঠাতা। ২০১৭ সাল থেকে ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমের সাথে যুক্ত। সাংবাদিকতা ও ডিজিটাল মিডিয়া নিয়ে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

Related articles

spot_img

Recent articles

spot_img