Krishnendu Narayan Choudhury: ‘যেমন বৃষ্টি হবে তেমন ছাতা ধরব!’, পুরভোটের মুখে তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত ইংরেজবাজারের পুরপ্রধানের

Published:

Krishnendu Narayan Choudhury: ‘যেমন বৃষ্টি হবে তেমন ছাতা ধরব!’, পুরভোটের মুখে তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত ইংরেজবাজারের পুরপ্রধানের

KOLKATA: দুর্গাপুজোর পরেই রাজ্যে পুরসভা নির্বাচনের দামামা বাজার জোরালো সম্ভাবনা। ঠিক তার প্রাক্কালেই রাজনৈতিক মহলে বিস্ফোরণ ঘটালেন মালদহের ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী (Krishnendu Narayan Choudhury)। পুরসভার নিজের চেম্বারে বসেই তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তৃণমূলের হয়ে তিনি আর কোনও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।

আরও পড়ুন: PM Modi Rally Security Breach: মোদির সভাস্থলে পিস্তল-সহ আটক যুবক! সেনা আধিকারিক পরিচয়ে ভিভিআইপি জোনে ঢোকার চেষ্টায় চাঞ্চল্য 

ভোটের লড়াই প্রসঙ্গে কৃষ্ণেন্দুর মন্তব্য, “আগামী দিনে পুরসভা ভোটে লড়াইয়ের ব্যাপারে বলব, যেমন ভাবে বৃষ্টি হবে, তেমনই ছাতা ধরব। কিন্তু আমি তৃণমূলের হয়ে লড়ব না, তৃণমূলের প্রার্থী হব না। আমি মমতাদিকে প্রচণ্ড শ্রদ্ধা করি, কিন্তু মমতাদি বললেও আমি দাঁড়াব না।”

Advertisement Andaman Vibes

ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিয়ে ধোঁয়াশা বজায় রেখে তিনি আরও বলেন, “সময়ই সব কথা বলবে। যেমন যেমন পরিস্থিতি আসবে, তেমনই পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অনেকে তো আমাকে এখান থেকে নির্বাসনে পাঠানোর বন্দোবস্ত করেছিল, এখন উলটে ওরাই নির্বাসনে চলে গিয়েছে।” পুরপ্রধানের এই তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্যে জেলা রাজনীতি তো বটেই, রাজ্য রাজনীতিতেও দলবদলের জল্পনা তীব্র হয়েছে।

Advertisement Burger4u

এদিকে পুজোর পরেই কলকাতা ও হাওড়া পুরসভায় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন, এমন সম্ভাবনার আবহেই সাংগঠনিক বৈঠকে তৎপরতা বাড়িয়েছে গেরুয়া শিবির। সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দপ্তরে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশাল, রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, সুকান্ত মজুমদার ও তাপস রায়দের উপস্থিতিতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: Biswajit Chakraborty on Beef Controversy: ‘আমার টাকা, আমার পেট! কী খাব ঠিক করবে অন্য কেউ?’ ট্রোলের মুখে বিস্ফোরক বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী 

বৈঠকে কলকাতা পুরভোট নিয়ে বড়সড় দাবি করেছেন বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, কলকাতা পুরসভায় বিজেপি ১৫০ থেকে ১৮০টি পর্যন্ত ওয়ার্ডে জয়লাভ করতে পারে। নির্বাচনের কৌশল হিসেবে তিনি জানান, যে কোনও প্রকারে জয় হাসিল করাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। তৃণমূলের টিকিট বণ্টন ও প্রতীক নিয়ে কটাক্ষ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত কার হাতে প্রতীক থাকবে, তা নির্বাচন কমিশন বা আদালতই ঠিক করবে। সব মিলিয়ে পুরভোটের আগে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্যের রাজনৈতিক আঙিনা।

Advertisement

Kingshuk Singha Roy
Kingshuk Singha Roy
Founder & Editor-in-Chief বাংলার আওয়াজের প্রতিষ্ঠাতা। ২০১৭ সাল থেকে ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমের সাথে যুক্ত। সাংবাদিকতা ও ডিজিটাল মিডিয়া নিয়ে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

Related articles

spot_img

Recent articles

spot_img