Ramesh Mahato: বিজেপির মঞ্চে হাওড়া-হুগলির কুখ্যাত ত্রাস রমেশ মাহাতো! অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির, কটাক্ষ তৃণমূলের
HOOGHLY: একসময়ের হাওড়া ও হুগলির ত্রাস, একাধিক খুন এবং তোলাবাজির মূল পান্ডা রমেশ মাহাতোকে (Ramesh Mahato) এবার দেখা গেল খোদ বিজেপির মঞ্চে। সম্প্রতি হুগলির জাঙ্গিপাড়ার দিলাকাশ গ্রাম পঞ্চায়েতে আরএসএস ও বিজেপির ব্যানারে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।
জানা যায়, একটা সময় হুগলির অন্ধকার জগতের বেতাজ বাদশা শ্যামলের ডানহাত ছিল এই রমেশ মাহাতো। অভিযোগ, পরবর্তীতে সেই শ্যামলকেই খুন করে পুরো সাম্রাজ্য দখল করে সে। এরপর হাওড়ার বালি, উত্তরপাড়া, কোন্নগর, রিষড়া থেকে শুরু করে শ্রীরামপুর পর্যন্ত এলাকার বড় বড় প্রমোটারদের কাছ থেকে তোলাবাজি করাটাই ছিল তার মূল পেশা। খুন, রাহাজানি-সহ তার বিরুদ্ধে ৩০টিরও বেশি মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন জেলও খেটেছে সে। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর সেই কুখ্যাত দুষ্কৃতীকেই এবার বিজেপির ছত্রছায়ায় দেখা যাওয়ায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

এই ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছে গেরুয়া শিবির। জাঙ্গিপাড়ার স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক প্রসেনজিৎ বাগ এই প্রসঙ্গে সাফ জানিয়েছেন, “দলের রাজ্য নেতৃত্ব বা জেলা নেতৃত্বকে না জানিয়েই দেবেশ কোলে নামক এক ব্যক্তি ওই কর্মসূচির আয়োজন করেন। সেখানে রমেশ মাহাতোর মতো একজন কুখ্যাত আসামিকে নিয়ে আসা হয়। এরা কালো সাম্রাজ্য বিস্তার করার জন্য বিজেপির প্রতীক ও নেতাদের ছবি ব্যবহার করছে। দল এদের কোনওভাবেই সমর্থন করে না।”
অন্যদিকে, বিজেপির এই অস্বস্তিকে হাতিয়ার করে আসরে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ফুরফুরা শরীফের বাসিন্দা তথা কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক কাশেম সিদ্দিকী বিজেপিকে তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, “এতো বড় সমাজবিরোধীদের দলে নিয়ে আসাই প্রমাণ করে যে ওদের দলে আর ভালো মানুষ নেই। ভালো মানুষরা কখনও এদের নিয়ে চলে না। এরা খুন, গুন্ডামি, লুটপাট করার জন্যই এই ধরনের সমাজবিরোধীদের দলে টানছে। গত ৩৪ বছর সিপিএম বা ১৫ বছর তৃণমূল রাজত্ব করলেও এরা এদের দলে নেয়নি, কিন্তু বিজেপি ভোটের স্বার্থে এদের ব্যবহার করছে।”




